ঢাকা , শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬ , ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কমবে পরিবেশ দূষণ

মুরগির বিষ্ঠা কমাবে জ্বালানি ব্যয়

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ০৩-১০-২০২৬ ০৩:৩৩:২৫ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ০৩-১০-২০২৬ ০৩:৩৩:২৫ অপরাহ্ন
মুরগির বিষ্ঠা কমাবে জ্বালানি ব্যয় ছবি : সংগৃহীত
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় মুরগির খামারের বর্জ্য এখন আর শুধু দুর্গন্ধ ও পরিবেশ দূষণের কারণ নয়, বরং তা হয়ে উঠেছে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির উৎস। স্থানীয় উদ্যোক্তা সালেহ আহমেদের উদ্যোগে মুরগির বিষ্ঠা থেকে উৎপাদিত বায়োগ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে সরবরাহ করা হচ্ছে দোকানপাট ও বাসাবাড়িতে। এতে একদিকে কমছে পরিবেশ দূষণ, অন্যদিকে কমেছে জ্বালানি ব্যয়।

উদ্যোক্তা সালেহ আহমেদ জানান, ২০০১ সালে মাত্র এক হাজার লেয়ার মুরগি দিয়ে খামারের যাত্রা শুরু করেন তিনি। বর্তমানে তার খামারে প্রায় ৩০ হাজার মুরগি রয়েছে। ২০০৫ সালে প্রথম বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের পর ধাপে ধাপে প্ল্যান্টের সংখ্যা বেড়ে বর্তমানে ১৪টিতে দাঁড়িয়েছে।

তিনি বলেন, এসব প্ল্যান্ট থেকে উৎপাদিত বায়োগ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে এলাকার প্রায় ৩০টি দোকান ও বাসাবাড়িতে সরবরাহ করা হচ্ছে। সরকারি সহায়তা পেলে ঝিনাইগাতী বাজার ও আশপাশের আরও অনেক আবাসিক এলাকায় পাইপলাইনের মাধ্যমে বায়োগ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
 
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা জানান, বায়োগ্যাস ব্যবহারের ফলে এলপিজির ওপর নির্ভরতা কমেছে। পাশাপাশি তাদের মাসিক জ্বালানি ব্যয় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। কাঠসহ অন্যান্য জ্বালানি সংগ্রহের ঝামেলাও কমেছে।

এদিকে সালেহ আহমেদের উদ্যোগ দেখে এলাকার আরও কয়েকজন খামারি নিজেদের খামারে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা করছেন। এতে মুরগির বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বিকল্প জ্বালানি উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রেজাউল হক ভূঁইয়া বলেন, বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট মুরগির বর্জ্য ব্যবস্থাপনার একটি কার্যকর সমাধান। এর মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের পাশাপাশি প্ল্যান্ট থেকে পাওয়া বায়ো-স্লারি উন্নতমানের জৈব সার হিসেবে কৃষিকাজে ব্যবহার করা যায়। ফলে টেকসই কৃষি ও পরিবেশবান্ধব খামার ব্যবস্থাপনায় এ ধরনের প্রকল্পের গুরুত্ব অনেক।  
 
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন 
 


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ